‘যুদ্ধের আগের চেয়ে ইরানি বাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী’

ছবি: সংগৃহীতফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যখন যুদ্ধ শুরু করেছিল, তার তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের মনোবলও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি। ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এসব কথা বলেন।
ছবি: সংগৃহীতফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যখন যুদ্ধ শুরু করেছিল, তার তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তাদের মনোবলও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি। ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এসব কথা বলেন।
আকরামিনিয়া বলেন, ‘আজ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি শাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর—যুদ্ধের শুরুর সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সতর্ক এবং শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উদ্দীপনা, অঙ্গীকার ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। এই মুখপাত্র আরও জানান, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে এবং যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের দাবিগুলো মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ এই প্রণালি বন্ধই থাকবে।
তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া আসবে তা হবে তাৎক্ষণিক, কার্যকর এবং কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
‘যুদ্ধের আগের চেয়ে ইরানি বাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী’—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।