নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করছেন পাঁচবিবির গ্রামবাসী

সরকারি দপ্তরে বছরের পর বছর ঘুরেও মেলেনি প্রতিকার, উল্টো পোহাতে হয়েছে হয়রানি। অবশেষে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দারা দেশপ্রেমের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ছোট যমুনা নদীর ওপর নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ও ...
সরকারি দপ্তরে বছরের পর বছর ঘুরেও মেলেনি প্রতিকার, উল্টো পোহাতে হয়েছে হয়রানি। অবশেষে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দারা দেশপ্রেমের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ছোট যমুনা নদীর ওপর নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বেচ্ছাশ্রমে একটি সরু সেতু নির্মাণ শুরু করেছেন তারা।
তবে অর্থ সংকটে মাঝপথে এসে কাজ থমকে যাওয়ায় সেতুটির নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকারি সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলার বাগজানা ও আটাপাড়া সেতুর দক্ষিণে অবস্থিত রতনপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট যমুনা নদী। নদীর দুই পাড়ে ঘনবসতি এবং কৃষকদের ফসলি জমি রয়েছে।
বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে ওপারে যাতায়াত, ফসল আনা-নেওয়া এবং বাজারঘাটে যেতে গ্রামবাসীর দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। এতে অর্থ ও সময় অপচয় হয়। স্বাধীনতার পর থেকে চলমান এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো বরাদ্দ পাননি।
উপায়ান্তর না দেখে গ্রামের মানুষ চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে কংক্রিটের পিলার স্থাপন করে তার ওপর বাঁশ ও কাঠের কাঠামো দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করছেন। তবে অর্থাভাবে এখনো নির্মাণকাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। রতনপুর গ্রামের কৃষক কেরামত আলী বলেন, টাকার অভাবে কাজ শেষ করতে পারছি না।
সরকার যদি একটু সহযোগিতা করত, তাহলে আমাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট দূর হতো। দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অসমাপ্ত সেতুটির নির্মাকাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা দেবে, এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করছেন পাঁচবিবির গ্রামবাসী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।