ডুসাকের দায়িত্বে মীর মোরসালিন-এইচ.এম.নাছরুল্লাহ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কোটালীপাড়ার (ডুসাক) নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মীর মোরসালিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এইচ.এম. নাছরুল্লাহ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কোটালীপাড়ার (ডুসাক) নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মীর মোরসালিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এইচ.এম. নাছরুল্লাহ। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মুনীর চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
পূর্ববর্তী কমিটির সভাপতি ফয়সল শেখ স্বাক্ষরিত কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন জেরিন জাহান ভাবনা, রেজোয়ান আহসান ও আশিক খান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সোমা দত্ত ও ফয়সাল খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নমিতা মণ্ডল।
এ সময় ডুসাকের অ্যালামনাই অপূর্ব বৈদ্য, সুব্রত শোভন ও ওসমান গণিসহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। নবনির্বাচিত সভাপতি মীর মোরসালিন ও সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. নাছরুল্লাহ বলেন, ডুসাক দীর্ঘদিন ধরে কোটালীপাড়ার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। শিক্ষা অলিম্পিয়াড, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম।
নতুন নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ডুসাকের দায়িত্বে মীর মোরসালিন-এইচ.এম.নাছরুল্লাহ—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।