সৌদির জেদ্দায় দুর্ঘটনায় হতাহত ১৩ জন কক্সবাজারের বাসিন্দা

সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ১৩ জন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে আজ রাতে ঢাকায় পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।জেদ্দা কনস্যুলেট জানিয়েছে, দুর্...
সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ১৩ জন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে আজ রাতে ঢাকায় পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জেদ্দা কনস্যুলেট জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় নিহত সাতজন বাংলাদেশি নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। হতাহত ব্যক্তিরা তিন পরিবারের সদস্য। তিন পরিবারপ্রধানসহ চারজন সৌদি আরবের আল-আবির কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
ওই কোম্পানির মক্কা শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালমান কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের জানান, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িতে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত চারজন বাংলাদেশি কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন। .কনস্যুলেটের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় জিয়াউর রহমান, তাঁর দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান এবং মেয়ে বুশরা মারা গেছেন। তাঁর স্ত্রী শাকিরা ও মেয়ে ইউসরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
একই গাড়িতে থাকা আলম শাহ তাঁর স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়াকে হারিয়েছেন। তবে আলম শাহ ও তাঁর ছেলে ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর দুর্ঘটনায় আহত ইলিয়াস তাঁর স্ত্রী আফসানা বিবিকে হারিয়েছেন।
আহত অন্যজন হলে গফুর আলম। .দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতিবেগ ঘণ্টায় আনুমানিক ১৬০ কিলোমিটার ছিল বলে জানা গেছে। ট্রাফিক দপ্তরের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে। .জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নিহত, আহত ১৫।
সৌদির জেদ্দায় দুর্ঘটনায় হতাহত ১৩ জন কক্সবাজারের বাসিন্দা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।