ডানা হোয়াইটকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি বানাতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউএফসির প্রধান নির্বাহী ডানা হোয়াইট। ছবি: সংগৃহীতযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) প্রধান নির্বাহী ডানা হোয়াইটকে। ট্রাম্পের এই প...
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউএফসির প্রধান নির্বাহী ডানা হোয়াইট। ছবি: সংগৃহীতযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) প্রধান নির্বাহী ডানা হোয়াইটকে। ট্রাম্পের এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে আগামী সোমবার হোয়াইট হাউসে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ডানা হোয়াইট।
শনিবার লন্ডনে একটি বক্সিং প্রতিযোগিতা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ডানা হোয়াইটকে প্রেস সচিবের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘ডানা এমন একজন প্রেস সচিব হবেন, যার মতো আর কেউ নেই।
ডানা, দয়া করে দায়িত্বটি গ্রহণ করুন। শুধু ডানা হোয়াইটকেই নয়, তার সঙ্গে কয়েকজন সহকারীকে নিয়েও হোয়াইট হাউসে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তাদের মধ্যে কয়েকজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন, সেটিও উল্লেখ করেছেন তিনি।
এ জন্য ইউএফসির বর্তমান ও সাবেক ছয়জন চ্যাম্পিয়নের নাম ও ছবি পোস্ট করেন ট্রাম্প। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার দাগেস্তান অঞ্চলের ইসলাম মাখাচেভ ও খাবিব নুরমাগোমেদভ। যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিন গেইথজে, ড্যানিয়েল করমিয়ের এবং কায়লা হ্যারিসনও রয়েছেন তালিকায়।
এ ছাড়া আছেন ব্রাজিলীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক আমান্ডা নুনেস। তিনি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। ট্রাম্পের পোস্টে কায়লা হ্যারিসের নাম লেখা হলেও সম্ভবত তিনি কায়লা হ্যারিসনকে বোঝাতে চেয়েছেন।
এই ছয়জনকে সঙ্গে আনার কারণ ব্যাখ্যা করে ট্রাম্প লেখেন, ‘উন্মাদ বামপন্থিদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে এসব মানুষকে প্রয়োজন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিবের পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। গত মাসে মাত্র পাঁচ দিন দায়িত্ব পালনের পর কেটি জাকারিয়ার মেয়াদ শেষ হয়।
তিনি ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। গত আগস্টের শেষ দিকে লেভিট প্রেস সচিবের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। ডানা হোয়াইট ও ট্রাম্পের সম্পর্ক অবশ্য বেশ পুরোনো।
২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে তাদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ তৈরি হয়। তবে ২০১৬ সালে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে প্রকাশ্যে সমর্থন জানানোর পর তাদের ঘনিষ্ঠতা আরো বাড়ে। গত কয়েক বছরে ট্রাম্পকে একাধিক ইউএফসি প্রতিযোগিতায় দেখা গেছে।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উদ্যাপনের অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউসেও ইউএফসির একটি লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। এদিকে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ বিভাগেও ইউএফসির সাবেক একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি হলেন যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চেউং।
২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি ডানা হোয়াইটের প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। ট্রাম্পের প্রস্তাবসংবলিত পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করে চেউং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘অবশ্যই।
করে ফেলুন, ডানা হোয়াইট। পুরোনো দিনের মতোই হবে ব্যাপারটা। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ডানা হোয়াইটকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি বানাতে চান ট্রাম্প—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।