ঢাকায় শেষ হলো ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা’, কী কী ছিল সেখানে

ঢাকার বুকেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জুমে উৎপাদিত ফসলের সঙ্গে পরিচিয় করিয়ে দিতে পঞ্চমবারের মতো হয়ে গেল ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা ২০২৬’। এতে অংশ নেন চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল, রাখাইনসহ পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্...
ঢাকার বুকেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনধারা, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জুমে উৎপাদিত ফসলের সঙ্গে পরিচিয় করিয়ে দিতে পঞ্চমবারের মতো হয়ে গেল ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা ২০২৬’। এতে অংশ নেন চাকমা, মারমা, মণিপুরি, গারো, সাঁওতাল, রাখাইনসহ পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা। ৬ ও ৭ নভেম্বর মিরপুরের ১৩ নম্বরে পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়।
উন্নয়ন সংগঠন নাগরিক উদ্যোগ ও আদিবাসী সুহৃদদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ৩৫টি স্টল ছিল। চলুন, ৮ ছবিতে দেখে নিই সেই আয়োজন। .ছিল ঘিয়ের ব্যবসা, এখন তৈরি করে ১৮৫ রকম মিষ্টি, চার প্রজন্মের গল্পে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার।
ঢাকায় শেষ হলো ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্যমেলা’, কী কী ছিল সেখানে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।