জুলাই গণ–অভ্যুত্থান প্রতিহত করতে মোতাহার ছিলেন একজন অর্থ জোগানদাতা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকারীদের প্রতিহত করতে মোতাহার হোসেন একজন অর্থ জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, মোতাহার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ...
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকারীদের প্রতিহত করতে মোতাহার হোসেন একজন অর্থ জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, মোতাহার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠজন। .২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরা এলাকায় আন্দোলনের মধ্যে মো. জসিম নামের একজন গুলিবিদ্ধ হন।
পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঙ্গু হাসপাতালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোছা. ফরিদা ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর ২০৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত অনেককে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ১৯৬ নম্বর আসামি মোতাহার হোসেন (৬৬)।
২ নভেম্বর ডিবি পুলিশ গুলশান থেকে মোতাহার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। আজ শনিবার আবার তাঁর দ্বিতীয় দফা রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। .আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, আসামি মোতাহার (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের বাহাউদ্দিন নাসিমের ঘনিষ্ঠজন এবং ৫ আগস্টের ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য অর্থ জোগানদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলেও অনেক তথ্য গোপন করেছেন।
তাই তাঁকে আবার সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া তাঁর দেওয়া তথ্যাদি যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মোতাহার হোসেনের রাজনৈতিক কোনো পদ–পদবি এখনো পাওয়া যায়নি।
এ মামলায় তিনি ১৯৬ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান প্রতিহত করতে মোতাহার ছিলেন একজন অর্থ জোগানদাতা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।