কেমব্রিজের পরীক্ষায় সাহিল ওয়াজির মামুনের সাফল্য, চার বিষয়ে এ-সহ গণিতে ১০০ শতাংশ নম্বর

কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের ২০২৬ সালের জুন সেশনের অ্যাডভান্সড সাবসিডিয়ারি (এএস) পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছেন বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের শিক্ষার্থী সাহিল ওয়াজির মামুন মুগ্ধ। চারটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গ্রেড ‘এ’ অর্জনের পাশাপাশি গণিতে ১০০ শতাংশ পার্সেন্টেজ ইউনিফর্ম ...
কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের ২০২৬ সালের জুন সেশনের অ্যাডভান্সড সাবসিডিয়ারি (এএস) পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছেন বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের শিক্ষার্থী সাহিল ওয়াজির মামুন মুগ্ধ। চারটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গ্রেড ‘এ’ অর্জনের পাশাপাশি গণিতে ১০০ শতাংশ পার্সেন্টেজ ইউনিফর্ম মার্ক (পিইউএম) পেয়ে বিশ্বসেরা নম্বর অর্জনের গৌরব লাভ করেছেন। .সাহিল ওয়াজির মামুন মুগ্ধ জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত—এই চার বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রতিটি বিষয়েই ‘এ’ গ্রেড অর্জন করেছেন।
কেমব্রিজের ফলাফল বিবরণী অনুযায়ী, তাঁর প্রাপ্ত পার্সেন্টেজ ইউনিফর্ম মার্ক (পিইউএম) হলো জীববিজ্ঞানে ৯৬ শতাংশ, রসায়নে ৯৭, পদার্থবিজ্ঞানে ৯৭ এবং গণিতে ১০০ শতাংশ। গণিতে ১০০ শতাংশ নম্বর অর্জন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনন্য কৃতিত্ব। তাঁর এ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজ তাঁকে এ বছর ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ডিকেড’(Student of the Decade) হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
অর্থাৎ গত দশ বছরের মধ্যে কলেজের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি এই বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন। .সাহিল ওয়াজির মামুন মুগ্ধর বাবা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মামুন উর রশীদ, একজন রেডিওলজিস্ট। মুগ্ধর মা সাবিহা ইসলাম, তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
মুগ্ধর এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত মেধা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি নয়; বরং আন্তর্জাতিক শিক্ষা অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অসাধারণ মেধা, যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
কেমব্রিজের পরীক্ষায় সাহিল ওয়াজির মামুনের সাফল্য, চার বিষয়ে এ-সহ গণিতে ১০০ শতাংশ নম্বর—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।