প্রখ্যাত সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও ১৯৪৭ সালের বাউন্ডারি কমিশনের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এ এফ এম আব্দুল জলীলের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তারা মরহুমের কর্ম ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে ...
প্রখ্যাত সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও ১৯৪৭ সালের বাউন্ডারি কমিশনের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এ এফ এম আব্দুল জলীলের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তারা মরহুমের কর্ম ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তাকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরীর আহসান আহমেদ রোডস্থ নূর মঞ্জিলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খুলনা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু। স্মরণসভায় আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম আলিম, সিটি ল কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট এম এ আউয়াল, কথাসাহিত্যিক ফিরোজ আহমদ, সাংবাদিক আবু আসলাম বাবু, গবেষক মনিরুজ্জামান লাভলু ও নারী নেত্রী শামীমা সুলতানা সিলু প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, এ এফ এম আব্দুল জলীল ছিলেন সাহিত্য, ইতিহাস ও গবেষণার জগতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
তিনি জীবদ্দশায় ৫৬টি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। তার এই সুবিশাল সাহিত্যকর্ম, বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসচর্চা এবং বিশেষ করে ১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক বাউন্ডারি কমিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি তরুণ ও নতুন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। খুলনা কবি-সাহিত্যিক ফোরামের সদস্য সচিব আজাদুল হক আজাদ ও কবি সৈয়দ আলী হাকিমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
আলোচনা সভা শেষে মরহুম এ এফ এম আব্দুল জলীলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ইতিহাসবিদ আব্দুল জলীলকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!