ব্রেকিং নিউজ

সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা
জাতীয় ব্রেকিং

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২১ বছরে সর্বনিম্ন ফলাফল, বেশি পাস করেছেন মেয়েরা

System Administrator • শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
৮২ বার পঠিত
সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২১ বছরে সর্বনিম্ন ফলাফল, বেশি পাস করেছেন মেয়েরা
সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২১ বছরে সর্বনিম্ন ফলাফল, বেশি পাস করেছেন মেয়েরা ছবি: 24TV.Live

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্... — এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ও শীর্ষ সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।

মূল ঘটনা ও মাঠের সার্বিক চিত্র

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ফলাফল। বোর্ডে এবার ছেলেদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ মেয়ে পাস করেছেন। তবে ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ–৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন ছেলেরা।আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস ইয়াছমীন এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০০৫ সালের পর এবার এইচএসসিতে পাসের হার ৫০ শতাংশে নেমেছে। ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৪৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। সর্বশেষ ২০২৫ সালে পাসের হার নেমেছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশে। এবার পাসের হার ও জিপিএ–৫ দুটিই কমেছে। এবার ৭১ হাজার ৮৯৩ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। গত বছর ১ হাজার ৬০২ শিক্ষার্থী জিপিএ–৫ পেয়েছিলেন।বিভাগভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে বিজ্ঞান বিভাগ। এই বিভাগের ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৯৮০ জন। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ১৭০ জন। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছেন ৪৭ দশমিক ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৫৪ জন।পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস ইয়াছমীন বলেন, এবার সারা দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার ফলে গতানুগতিক প্রশ্নে পরিবর্তন এসেছে। এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডে অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল। এর বাইরে ইংরেজি, আইসিটি, ভূগোল ও রসায়ন বিষয়ে তুলনামূলক কম পাস করেছেন। এতে ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও পাসের হারে এগিয়ে আছেন মেয়েরা। এবার ৪২ হাজার ৯৫৮ মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ২২ হাজার ৫০১ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। তাঁদের মধ্যে ৫৯১ জন জিপিএ–৫ পেয়েছেন।সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আনন্দ-উল্লাস। সিলেট, ৩১ অক্টোবরঅন্যদিকে ২৮ হাজার ৯৩৫ জন ছেলে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছেন ১৪ হাজার ৯৬। পাসের হার ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। তবে ছেলেদের মধ্যে ৬১৩ জন জিপিএ–৫ পেয়েছেন। অর্থাৎ মেয়েদের তুলনায় কমসংখ্যক ছেলে পরীক্ষা দিয়েও ২২ জন বেশি জিপিএ–৫ পেয়েছেন।এদিকে বিভাগের চার জেলার মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়ায় সিলেট জেলা এগিয়ে আছে। সিলেটে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৯০৩ জন। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে হবিগঞ্জ। এই জেলায় পাসের হার ৪৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ১০৪ জন। সুনামগঞ্জে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৬ জন। সবচেয়ে কম মৌলভীবাজারের পাসের হার ৪৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ১৫১ শিক্ষার্থী।ছয় প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিলেট ক্যাডেট কলেজ (৫০ জন), ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল এনজিএফএফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৩১ জন), সুনামগঞ্জের আইডিয়াল ভিশন কলেজ (সাতজন), মৌলভীবাজারের শমসেরনগরের বিএএফ শাহীন কলেজ (২৩৮ জন), হবিগঞ্জের মাধবপুরের ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (তিনজন) এবং আজমিরীগঞ্জের হাজী আবদুল হাকিম ভূঁইয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (একজন)।কেউ পাস করেননি তিন প্রতিষ্ঠানে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবার তিনটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল চারটি। কেউ পাস না করা প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো হবিগঞ্জের লাখাইয়ে মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (দুজন), সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আলহাজ আবদুল মোতালিক হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৫ জন) এবং একই জেলার দোয়ারাবাজারের মিতালি পাবলিক হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (২১ জন)।

ঘটনাবলীর বিস্তারিত বিবরণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, সার্বিক পরিস্থিতি বেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল। স্থানীয় মানুষ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে এসে প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত কাজ শুরু করেছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। পুরো এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ

সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা গুজব যাতে না ছড়ায় সে লক্ষ্যে নিয়মিত বিরতিতে তথ্য প্রকাশ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সার্বিক অগ্রগতি পরবর্তী সময়ে সংবাদ বুলেটিনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই নাগরিক সমাজে গভীর আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও সাধারণ মানুষ তাদের অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ স্বচ্ছতার সঙ্গে তাদের কাজ সম্পন্ন করবেন এবং একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাধান উপহার দেবেন। পরবর্তী যেকোনো আপডেটের জন্য চোখ রাখুন 24TV.Live এর লাইভ নিউজ পোর্টালে।

সংবাদ উৎস ও তথ্যসূত্র: প্রথম আলো — বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় 24TV.Live সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন