২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন। অন্যদিকে, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আগামী ...
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন। অন্যদিকে, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। এরপর বোর্ড নির্বাচন করে মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পরবর্তী ধাপে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্র নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।
বিকাশ, নগদ, ডিবিএল রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যাবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনলাইন ছাড়া ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা।
এদিকে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। শুধু যেসব বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, সেসব বিষয়েই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন তাঁরা।
নতুন করে সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, পুনঃপরীক্ষার তারিখ, ফরম পূরণ ও ফি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানো হবে। এ বছর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী।
তাঁদের মধ্যে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।




এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!