ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি

ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মানববন্ধন করেছেন পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ। একই সঙ্গে খনি বাস্তবায়নের আগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মানববন্ধন করেছেন পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ। একই সঙ্গে খনি বাস্তবায়নের আগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল শুক্রবার পার্বতীপুর উপজেলার ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি-সংলগ্ন এলাকায় ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন।
তিনি বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। তবে খনি বাস্তবায়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। জাকারিয়া নয়ন বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ রয়েছে।
সেখান থেকে কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান তিনি। তার মতে, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ফুলবাড়ীর কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দ্রুত খনি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
মানববন্ধনে ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাস্তবায়নের পক্ষে আরো বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ, মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।



মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।