জাতি বড় হতাশায়, আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতেই স্বস্তি ফেরানো সম্ভব

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এ জাতি বড় হতাশার মধ্যে পড়ে গেছে, দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে আছে। কোথাও শান্তি নাই, কোথাও সম্মান নাই, কোথাও স্বস্তি নাই। সেই শান্তি, সম্মান এবং স্বস্তি আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতেই কেবল ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এজন্য...
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এ জাতি বড় হতাশার মধ্যে পড়ে গেছে, দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে আছে। কোথাও শান্তি নাই, কোথাও সম্মান নাই, কোথাও স্বস্তি নাই। সেই শান্তি, সম্মান এবং স্বস্তি আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতেই কেবল ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
এজন্য চিকিৎসকসহ সবাইকে কঠিন শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শনিবার রাজধানীর পূর্বাচলের সি শেল রিসোর্টে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে ‘কিডস ফেস্টিভ্যাল ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার সিজন ২’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরও বলেন, চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়া জরুরি।
এ ধরনের আয়োজন পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে। তিনি চিকিৎসকদের নৈতিক সীমারেখা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম।
প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ মুফতি আলী হাসান উসামা। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এবং জিএস এসএম ফরহাদ। এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ডা. নুর উদ্দীন তালুকদারের পরিচালনায় দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিডস ফেস্টিভ্যাল ও ফ্যামিলি গেট টুগেদারে শিশুদের বিভিন্ন রাইডস ও কিডস জোন, খেলাধুলা, পিঠা উৎসব, নাটিকা, সংগীত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সদস্য ও তাদের পরিবার অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ অতিথি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চিকিৎসকদের পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শিশুদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিকাশে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, কর্মব্যস্ত চিকিৎসকদের মানসিক স্বস্তি ও পারিবারিক সময় কাটানোর জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত ইতিবাচক। প্রধান আলোচক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, আদর্শ সমাজ গঠনে আদর্শ পরিবারের বিকল্প নেই। শিশুদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মারুফ শাহরিয়ার বলেন, চিকিৎসক ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
জাতি বড় হতাশায়, আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতেই স্বস্তি ফেরানো সম্ভব—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।