ছবি: সংগৃহীত।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়নে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, এখনই ক্রয়চুক্তি সম্পন্ন না হলে আগামী কয়েক বছরে উড়োজাহাজ সংকটে পড়ত...
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়নে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, এখনই ক্রয়চুক্তি সম্পন্ন না হলে আগামী কয়েক বছরে উড়োজাহাজ সংকটে পড়তে পারে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সব ধরনের কেনাকাটা ও প্রকল্প গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন কমিটির সদস্যরা।
মন্ত্রী বলেন, গত ২০ বছরে জবাবদিহির ধারাবাহিকতা না থাকায় পরিকল্পনাহীনভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার সব ধরনের ক্রয়প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
বিমান কেনার বিষয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করে বহরে যুক্ত করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগতে পারে। এ সময়ের মধ্যে বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। ফলে এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
তিনি দাবি করেন, উড়োজাহাজ কেনার জন্য সরকারকে সরাসরি অর্থ ব্যয় করতে হবে না। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিজস্ব আয় থেকে পর্যায়ক্রমে এ অর্থ পরিশোধ করবে। সরকার শুধু গ্যারান্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
অতীতে কেনা অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রীর বিষয়ে যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ জন্য প্রায় ২ হাজার একর জমি প্রয়োজন হবে। বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার উপযোগী রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
চুক্তি করে উড়োজাহাজ আনতে লাগবে ১০ বছর, এখনই উদ্যোগের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!