গণমাধ্যম দ্বিখণ্ডিত করা মানে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দ্বিখণ্ডিত করার ঘৃণ্য প্রয়াস

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন গত শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক লাইভে প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে) ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন গত শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক লাইভে প্রকাশ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে) ও রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব। রোববার রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে) এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানায়। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরপিইউজে) সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহার মান্নানের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলার অর্থ হলো গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দ্বিখণ্ডিত করার ঘৃণ্য প্রয়াস।
যারা এ অপপ্রয়াস চালিয়েছে, তারা কখনোই জয়ী হয়নি। জয়ী হয়েছে গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র। এ ধরনের ঘৃণ্য কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা মনে করি, এই অর্বাচীনকে থামানো উচিত। তা না হলে পৃষ্ঠপোষকদের পস্তাতে হবে। কারণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সর্বদা একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিশেষ করে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা তাদের স্বকীয়তা বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করে। এখানে কারও যদি পছন্দ না হয় বা কেউ অপমানবোধ করেন, তাহলে তিনি প্রতিবাদ করার পাশাপাশি প্রচলিত আইনের পথ বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু রাষ্ট্রের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমকে অপদস্ত করে গলা টিপে ধরা শুধু সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ নয়, এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের প্রধান এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে তারা আশা করেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
গণমাধ্যম দ্বিখণ্ডিত করা মানে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দ্বিখণ্ডিত করার ঘৃণ্য প্রয়াস—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, রাজনীতি অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।