এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না হওয়ায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য আবেদন করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী। তাঁরা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছেন।পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ...
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না হওয়ায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য আবেদন করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী। তাঁরা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ ৭ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ছিল।
তবে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান আজ রাতে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। .এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে.এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে।
৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। এবার প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদনও করেছেন বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থী।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কর্তৃপক্ষ পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে। এ জন্যই সময় বাড়ানো হয়েছে, যাতে আগ্রহী কোনো শিক্ষার্থী বাদ না পড়ে। .এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন.এর আগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছিল।
নতুন করে জিপিএ–৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী। আর ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৮৫ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের।
আর নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন মোট পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছিল ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন।
.ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ–৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী।
এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম আলো ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।