ইরানকে সহায়তার অভিযোগে কানাডার ৮ প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীতকানাডা-ভিত্তিক আটটি মানি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান সরকারকে সহায়তা এবং ইরানের ভেতরে ও বাইরে সম্পদ স্থানান্তরে সহায়তার অভিযোগে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
ছবি: সংগৃহীতকানাডা-ভিত্তিক আটটি মানি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান সরকারকে সহায়তা এবং ইরানের ভেতরে ও বাইরে সম্পদ স্থানান্তরে সহায়তার অভিযোগে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) এ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে।
‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর আওতায় নির্বাহী আদেশ ১৩৯০২ অনুযায়ী এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানি রিয়ালসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময়ে ডিজিটাল সম্পদ লেনদেন করত বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটির বিরুদ্ধে ইরানের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এক্সচেঞ্জ এবং দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ, টপ পিসি টেকনিশিয়ান, এনআইএ নেশনস কারেন্সি, ফারাহ এক্সচেঞ্জ, সিসিসি ইনকরপোরেটেড, ক্রিপ্টয়াল এবং দারভিশ এক্সচেঞ্জ। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ফারাহ এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকানা থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল সম্পদ কানাডার নিষেধাজ্ঞাভুক্ত মাদক পাচারকারী রায়ান ওয়েডিং-সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরান সরকার ও তাদের সহযোগীদের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারীদের জন্য কানাডা নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে না। বিশ্বের যেকোনো স্থানে ইরানের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের পথ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ইরানকে সহায়তার অভিযোগে কানাডার ৮ প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।






মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।