আসছে টানা ৩ দিনের ছুটি, পাবেন যারা

চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে টানা তিন দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা উপলক্ষে ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এ সুযোগ তৈরি হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে টানা তিন দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা উপলক্ষে ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) থেকে ৮ নভেম্বর (রোববার) পর্যন্ত টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এ ছুটির সুযোগ থাকছে না। গত বুধবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর ফলে আগে থেকেই নির্ধারিত শ্যামাপূজার ছুটির সঙ্গে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের অবকাশ তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রকাশিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে। পরদিন ৮ নভেম্বর (রোববার) হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা উদযাপিত হবে। সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। ফলে শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটি, শনিবারের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং রোববারের শ্যামাপূজার ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে স্কুল-কলেজ।
একই সঙ্গে সারা দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও এ ছুটির আওতায় থাকবে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এ ছুটির বিষয়টি ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত নিজস্ব ছুটির তালিকা ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে কোনো ছুটির তথ্য পাওয়া যায়নি। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
আসছে টানা ৩ দিনের ছুটি, পাবেন যারা—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।