বোয়ালমারীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। রোববার সকালে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়।
‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। রোববার সকালে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এতে বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. ছালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউএনও এস এম রকিবুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুন্নাহার নাঈম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শওকত আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী পূর্ণেন্দু সাহা, সাপ্তাহিক বোয়ালমারী বার্তার সম্পাদক অ্যাডভোকেট কোরবান আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, কৃষক দলের সভাপতি লুৎফর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হাফেজ বিল্লাল হোসেন এবং পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর সৈয়দ নিয়ামুল হাসান। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমবায় হচ্ছে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের একটি কার্যকর মাধ্যম। পারস্পরিক সহযোগিতা, আস্থা ও ঐক্যের ভিত্তিতে সমবায় কার্যক্রম পরিচালিত হলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।
দেশের উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতা অর্জনে সমবায় আন্দোলনকে আরও গতিশীল করার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির প্রতিনিধি ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
বোয়ালমারীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।


মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।