ছবি: আমার দেশএসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। পেয়েছিলেন জিপিএ-৩.৮৯। তবে সেই ফলাফলে হতাশ হয়ে থেমে যাননি মন্দ্রিরা রানী। নতুন উদ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্জন করেছেন জিপিএ-৫। রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জ...
ছবি: আমার দেশএসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। পেয়েছিলেন জিপিএ-৩.৮৯। তবে সেই ফলাফলে হতাশ হয়ে থেমে যাননি মন্দ্রিরা রানী।
নতুন উদ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্জন করেছেন জিপিএ-৫। রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জেনারেল কলেজ শাখায় মানবিক বিভাগ থেকে একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জনের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। মন্দ্রিরা রানী উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত গ্রামের বাসিন্দা।
তাঁর বাবা শ্রী স্বপন কুমার রায় এবং মা শ্রীমতি স্মৃতি বর্মন রায়। তিনি ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে তারাগঞ্জ ওয়াকফো এস্টেট সরকারি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ২৭৪৩৫৫ রোল নম্বর নিয়ে অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ অর্জন করেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে তারাগঞ্জ ওয়াক্ফ এস্টেট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৩.৮৯ পেয়েছিলেন মন্দ্রিরা। প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় কিছুটা হতাশ হলেও পড়াশোনায় আগ্রহ হারাননি তিনি। বরং আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেন।
নিয়মিত পড়াশোনা, চেষ্টা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ফল পেয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষায়। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মন্দ্রিরা রানী জানায়, 'এসএসসি পরীক্ষায় আমার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তখন খুব মন খারাপ হয়েছিল।
এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করতে পেরে সত্যিই অনেক আনন্দিত। আমার এই সাফল্যে যারা সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। মন্দ্রিরার এমন সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, 'মন্দ্রিরা রানীর এই অর্জন আমাদের কলেজের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। তার একাগ্রতা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
সে যেন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে পারে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এদিকে মন্দ্রিরার সাফল্যে আনন্দিত তার নিজ গ্রামের মানুষও। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গ্রামের মেয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করে পুরো এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে।
এসএসসিতে আশানুরূপ ফল না করেও হাল না ছেড়ে এইচএসসিতে এমন সাফল্য অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁরা মন্দ্রিরার ভবিষ্যৎ জীবনের আরও সাফল্য কামনা করেন। একটি পরীক্ষার ফলাফলই যে জীবনের শেষ কথা নয়, মন্দ্রিরা রানীর এই অর্জন তারই উদাহরণ।
হতাশ না হয়ে চেষ্টা চালিয়ে গেলে সাফল্য অর্জন সম্ভব-নিজের ফলাফলের মধ্য দিয়ে সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
তারাগঞ্জে এইচএসসিতে একমাত্র জিপিএ-৫ মন্দ্রিরার—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!