রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্যে আবারো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্যে আবারো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেলে সাজেকের লাঙ্গলমারা এলাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। অবরোধ-পাল্টা অবরোধ ও উত্তেজনার মধ্যেই গোলাগুলির এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৪টা থেকে সোয়া ৫টা পর্যন্ত সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের সঙ্গে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে গোলাগুলি হয়েছে। সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এর আগে শনিবার দুপুরেও সাজেকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
পরপর দুই দিনের এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এদিকে রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাজেক সড়কে এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করেন আন্দোলনকারীরা। সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহনের সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে দিনভর সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করেনি। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দাবি, সাজেক সড়ক এক দিনের জন্য নয়, স্থায়ীভাবে যান চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে। এ দাবিতে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা এবং দীঘিনালা থেকে মারিশ্যা ও সাজেক সড়কে পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
জেএসএসের ফের গোলাগুলি—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, খেলাধুলা অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!