চার ঘণ্টা পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামকে পার্শ্ববর্তী বরিশল ইউনিয়নে যুক্ত করার প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ ৪ ঘণ্টা পর স্থগিত করা হয়েছে। জেলা বিএনপির আশ্বাসে রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তারা এই অবরোধ তুলে নেন। তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে দাবি মানা ন...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামকে পার্শ্ববর্তী বরিশল ইউনিয়নে যুক্ত করার প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ ৪ ঘণ্টা পর স্থগিত করা হয়েছে। জেলা বিএনপির আশ্বাসে রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তারা এই অবরোধ তুলে নেন। তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে দাবি মানা না হলে আবারো অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম নিয়ে ‘বরিশল’ নামে একটি নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়েছে। জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার প্রস্তাবনায় নতুন এই ইউনিয়ন গঠিত হয়, যার নিজস্ব বাড়ি বরিশল গ্রামে। বরিশল গ্রামটিও পূর্বে বাসুদেব ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে চান্দি, কোড্ডা, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, বৈষ্ণবপুর ও বরিশল গ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে বরিশল ইউনিয়ন গঠনের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে নানা আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন ওই সব গ্রামের বাসিন্দারা। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে বাসুদেব ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার সকাল সোয়া ৭টা থেকে কোড্ডা এলাকায় রেলপথ ও সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর ফলে ওই রুটে ট্রেন ও যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা আগামী তিন দিনের জন্য অবরোধ স্থগিত ঘোষণা করেন। এদিকে, চার ঘণ্টার এই রেলপথ অবরোধের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী অন্তত ৭টি আন্তনগর ট্রেন বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়ে।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন দূরদূরান্তের সাধারণ যাত্রীরা। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
চার ঘণ্টা পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।





মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।