ঘুমিয়ে ৯ লাখ ৬০ হাজার রুপি পুরস্কার জিতলেন এক তরুণী

ছবি: ইন্ডিয়া টুডেভারতের মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি টানা ৬০ দিনের এক ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নয় লাখ ৬০ হাজার রুপি পুরস্কার জিতেছেন। পাশাপাশি পেয়েছেন একটি স্পনসরড ভ্রমণের সুযোগ। ওয়েকফিটের পঞ্চম আসরের ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’-এর বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
ছবি: ইন্ডিয়া টুডেভারতের মুম্বাইয়ের জিনিয়া চ্যাটার্জি টানা ৬০ দিনের এক ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নয় লাখ ৬০ হাজার রুপি পুরস্কার জিতেছেন। পাশাপাশি পেয়েছেন একটি স্পনসরড ভ্রমণের সুযোগ। ওয়েকফিটের পঞ্চম আসরের ‘স্লিপ ইন্টার্নশিপ’-এর বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
দুই মাসের এ প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাচিত ১০ জন অংশ নেন। দুই লাখের বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে তাদের বাছাই করা হয়। তবে এই ইন্টার্নশিপ কেবল ঘুমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না।
প্রতিযোগীদের নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা, ঘুমের সময় ও মান পর্যবেক্ষণ এবং সাপ্তাহিক বিভিন্ন সৃজনশীল চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে প্রতিযোগীদের এমন সব কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে হয়েছে, যার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা এবং ভিন্নধর্মী কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতাকে যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ‘স্লিপ সিনেমা’ নামের একটি চ্যালেঞ্জ।
যেখানে প্রতিযোগীরা জনপ্রিয় সিনেমার বিভিন্ন দৃশ্যকে ঘুমের অনুষঙ্গ যোগ করে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া ছিল ‘স্লিপ বিঙ্গো’, যেখানে তাদের পুরো সপ্তাহের ঘুমের অভ্যাসের পর্যালোচনা করতে বলা হয়। ‘আন্ডারকভার স্লিপ মিশন’ নামে আরেকটি কার্যক্রমে প্রতিযোগীদের কথোপকথনে ‘ব্ল্যাঙ্কেট’ বা ‘পিলো’ শব্দ কৌশলে ১০ বার ব্যবহারের মতো মজার চ্যালেঞ্জ ছিল।
চূড়ান্ত পর্বে চার প্রতিযোগী অংশ নেন। সেখানে স্মৃতিশক্তি যাচাই, ঘুমানোর পরিবেশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিলামে কেনা এবং শেষ রাতে ঘুমের মান পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। চূড়ান্ত স্কোরে সবাইকে ছাড়িয়ে বিজয়ী হন জিনিয়া।
তিনি পুরস্কার হিসেবে নয় লাশ ৬০ হাজার রুপি এবং একটি স্পনসরড অবকাশ যাপনের সুযোগ লাভ করেন। আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।
ঘুমিয়ে ৯ লাখ ৬০ হাজার রুপি পুরস্কার জিতলেন এক তরুণী—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলে গভীর আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আমার দেশ ও অন্যান্য গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, এই ঘটনার সার্বিক গতিপ্রকৃতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত অনুযায়ী, জাতীয় অঙ্গনে এই উন্নয়ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে। ইতিবাচক ফলাফল ধরে রাখতে নিয়মমাফিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর দেশব্যাপী সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।


মতামত (০)
এখনও কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি। প্রথম মতামতটি আপনার হোক।