ব্রেকিং নিউজ

সংবাদ বা বিষয় অনুসন্ধান করুন

24TV.Live
প্রচ্ছদ লাইভ টিভি সংবাদ খেলাধুলা ই-স্পোর্টস পত্রিকা ডিরেক্টরি যোগাযোগ
ক্যাটাগরি সমূহ:
জাতীয় আন্তর্জাতিক ই-স্পোর্টস দেশ ২৪ দেশ সংবাদ রাজনীতি অর্থনীতি খেলাধুলা
খেলাধুলা

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান

System Administrator • শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
৪৬ বার পঠিত
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: শফিকুর রহমান ছবি: 24TV.Live

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভালোবাসায় সরকারে এসে এখন যাঁরা গণভোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করছেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত জনগণ মেনে নেবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ক্রমান্বয়ে আন্দোলন শক্তশালী কর...

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভালোবাসায় সরকারে এসে এখন যাঁরা গণভোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করছেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত জনগণ মেনে নেবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ক্রমান্বয়ে আন্দোলন শক্তশালী করা হবে। আজ শনিবার বিকেলে খুলনার ঐতিহাসিক শিববাড়ি মোড়ে সাত দফা দাবিতে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এ কথা বলেন।সারা দেশের কোমর ভাঙা, তাই দেশ মেরামত করতে হবেবিএনপিকে ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন, যাঁরা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করবেন, তাঁরা ইঞ্জিনিয়ারিং করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন বলছেন গণভোট মানেন না। ৭০ ভাগ ভোটার গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন। সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁরা বলেছেন, তাঁরা ওসব মেনে নিয়েছিলেন, ভোটটা যেন কোনো অবস্থায় বিলম্বিত না হয়। অর্থাৎ তাঁদের গদিতে বসা যেন দেরি না হয়। এখন গদি পেয়ে গেছেন, গণভোটের বিষয়ে আর কোনো কথা নেই।বর্তমান সরকার কিছু কার্ড বিতরণ ছাড়া কিছুই করেনি বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘কার্ডে দিচ্ছেন এক হাজার, দেড় হাজার, দুই হাজার, আড়াই হাজার টাকা। আর শুধু গ্যাস বিল, কারেন্ট বিল থেকে আমাদের কাছ থেকে নিয়ে নিচ্ছেন প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা। গ্যাস দিতে পারেন না, কিন্তু বিল তো দিতে হয়। কারেন্টে ভুতুড়ে বিল আসে। এগুলোর মাধ্যমে জাতির অর্থকে ডাকাতি করা হচ্ছে।’সার পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘কৃষক সার পায় না, পাবে কেমনে? নতুন করে উনারা ডিলার নিয়োগ দিচ্ছেন ২০-২৫, ৩০ লাখ, ৫০ লাখ, ১ কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে। এটা নিয়ে হইচই হচ্ছে, আবার নিজেদের মধ্যে খাবলাখাবলি হচ্ছে। জীবন চলে যাচ্ছে, কিন্তু কৃষক তো সার পায় না। আমরা এই দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’আন্দোলনে নামার কারণ জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ জাতিকে চাঁদার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য, জনগণের টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার শুরু হয়েছে, এই লুটপাট ঠেকিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিষ্কার বার্তা এবার বাস্তবায়ন হবে ইনশা আল্লাহ। বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি একটার পর একটা, শক্ত থেকে মহাশক্তের দিকে যাবে।’প্রয়োজনে এক দফার ডাক দেওয়া হবে বলে বক্তব্যে জানান জামায়াতের আমির। এ জন্য গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘর থেকে সবাইকে ঢাকায় গিয়ে হাজির হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত একটা শোষণমুক্ত, বৈষম্যমুক্ত, সাম্যের বাংলাদেশ, মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গঠিত না হবে, আমাদের আন্দোলন চলবে ইনশা আল্লাহ।’সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লং মার্চের পথসভায় দলগুলোর সমর্থকরা১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটি খুলনার আহ্বায়ক ও খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।এ ছাড়া সমাবেশে এনসিপি, এবি পার্টি, জাগপা, লেবার পার্টি, ছাত্রশিবিরসহ ১১-দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা এবং সংসদ সদস্যরা বক্তব্য দেন।‘জাতির সঙ্গে গাদ্দারি বরদাশত করব না’খুলনায় পৌঁছানোর আগে লংমার্চের অংশ হিসেবে আজ দুপুরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের কাটাখালি মোড়ে পথসভা করেন জামায়াতের আমির। এ সময় তিনি বক্তব্যে বলেন, ‘জনতার সাত দফা দাবি নিয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি। আমাদের মূল দাবি একটাই, ১২ ফেব্রুয়ারি ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে হ্যাঁর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে। জাতির সঙ্গে গাদ্দারি আমরা বরদাশত করব না।’গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাকি ছয় দফার যন্ত্রণা জনগণকে আর ভোগ করতে হবে না বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, ভালোয় ভালোয় (গণভোটের রায়) মেনে নেন, তা না হলে জনগণ জানে কীভাবে দাবি আদায় করতে হয়।’পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপি নেতা সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রেজাউল করিম, সেক্রেটারি ইউনুস আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বাগেরহাট জেলার প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেলসহ ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

মাঠের লড়াইয়ের সামগ্রিক চিত্রে দেখা গেছে, শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছিল। উইকেটের চরিত্র এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ব্যাটার ও বোলার উভয়কেই বেশ কৌশলী ভূমিকা পালন করতে হয়েছে। বলের গতিবিধি ও লেন্থ বজায় রেখে বোলাররা যেমন চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালান, তেমনি ব্যাটাররাও ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে দলের প্রধান খেলোয়াড়দের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও নিখুঁত শট নির্বাচন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের অনুকূলে রাখতে বড় অবদান রাখে।

দলের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, পূর্ববর্তী ম্যাচগুলোর অভিজ্ঞতা ও ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা মাঠের খেলায় দারুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা পর্যালোচনা করে টিম ম্যানেজমেন্ট যে গেমপ্ল্যান তৈরি করেছিল, খেলোয়াড়রা মাঠে সুশৃঙ্খলভাবে তা কার্যকর করেছেন। কঠিন চাপের মুখে ধৈর্য না হারিয়ে শান্ত মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাই দলটিকে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। সমর্থকদের প্রাণবন্ত সমর্থনও মাঠের লড়াইয়ে বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে।

টুর্নামেন্ট বা সিরিজের সমীকরণের দিক থেকে এই খেলার ফলাফল ও অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মুখোমুখি লড়াইয়ের অতীত রেকর্ডে এই পারফরম্যান্স নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং দলীয় আত্মবিশ্বাস বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, সামনে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকায় খেলোয়াড়দের এই ইতিবাচক ছন্দ ও মানসিক সংহতি ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে পারলে সামনের দিনগুলোতে দল আরও বড় সাফল্যের দেখা পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এই সংবাদটির মূল তথ্য ও বিবরণ প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত। 24TV.Live এর এআই নিউজ এডিটর সম্পাদকীয় নীতি ও মানদণ্ড বজায় রেখে এটি পুনর্লিখন করেছে।

মন্তব্য (০)

আপনার মতামত লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত দিয়ে প্রথম হোন!

আরও পড়তে পারেন

বেটা ঘোষণা: এটি 24TV.Live এর বেটা সংস্করণ। আপনার মতামত জানান।
মতামত দিন